রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুভা গল্পে শুধু কথার মাধ্যমে নয়, অনুভূতির মাধ্যমে গল্পের ভাষা ফুটে ওঠে। বোবা সুভার জীবন আমাদের দেখায় যে ভালোবাসা, দুঃখ ও একাকীত্ব বোঝার জন্য কথার চেয়ে হৃদয়ের সংযোগই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এই আর্টিকেলে ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরা হয়েছে।
সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১।দুই পুত্রসন্তানের পর পলাশ বাবুর পরিবারে কন্যাসন্তানের আগমনে আনন্দের বাতাস বইতে থাকে। তার নাম রাখা হয় ‘কল্যাণী’। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পলাশ বাবু লক্ষ্য করলেন, কল্যাণীর মানসিক বিকাশ তার বয়সের সঙ্গে মিলছে না। পলাশ বাবু কল্যাণীর ব্যাপারে কথা বললে কিছুটা লজ্জা বা বিব্রতবোধ প্রকাশ করতেন। যখন কল্যাণীর বিয়ের আলোচনা চলছিল, পলাশ বাবু স্পষ্টভাবে বরের পক্ষকে তার মনের ভাব খুলে বললেন। সব শুনে বরের বাবা, সুবোধ বাবু, হেসে বললেন, পলাশ বাবুর মেয়ের মতোই আমার ছেলে হতে পারত, তাই আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
ক. সুভার গ্রামের নাম কী?
উত্তরঃ সুভার গ্রামের নাম চন্ডীপুর।
খ. পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার- কথাটি দ্বার দ্বারা লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার’ বলতে বোঝায়, তারা বাইরে কিছু প্রকাশ না করলেও ভেতরে গভীর কষ্ট বয়ে বেড়াতেন। সন্তানের আগামীর কথা ভেবে তারা সব সময় উদ্বিগ্ন থাকতেন। বিশেষ করে সন্তানের শারীরিক বা মানসিক সীমাবদ্ধতার কারণে সমাজ তাকে কীভাবে গ্রহণ করবে, সেই ভাবনাই তাদের মনে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা তৈরি করত।
সুভার মা তার মেয়ে বোবা হওয়ার কারণে সমাজের চোখে অপমানজনক বলে মনে করতেন। মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবলেই বাবা-মার মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠত। লেখক এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন, বোবা মেয়েকে ঘিরে তাদের অন্তরের যন্ত্রণা ছিল গভীর ও নীরব।
গ. উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার যে বিশেষ দিকটির সঙ্গতি দেখানো হয়েছে, তা ব্যাখ্যা কর
উত্তর: উদ্দীপকের প্রথম অংশে দেখা যায়, কল্যাণীর মানসিক সমস্যা থাকায় সে আশপাশের মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মিশতে পারত না। কেউ কিছু বললে সে চুপচাপ তাকিয়ে থাকত, কারণ সে নিজের মনের কথা ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারত না। অন্যদিকে, সুভা কথা বলতে পারত না, সে ছিল বোবা। তবে তার চোখ, মুখের ভাব আর চাহনির মধ্যেই তার গভীর অনুভূতি ফুটে উঠত।
সুভা তার মনের কথা চুপচাপ প্রকৃতি আর পশুপাখির সঙ্গে ভাগ করে নিত। কল্যাণীও তেমনি নিজের কষ্ট মনে মনে রেখে দিত। দুজনেই ছিল শান্ত ও নীরব প্রকৃতির। তারা কী চায় বা কীসে কষ্ট পায়, তা মুখে বলতে পারত না। তাই বলা যায়, কল্যাণী ও সুভার মধ্যে মিল হলো—তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে না পারা এবং ভেতরের নীরবতা। এই মিলটাই গল্প ও উদ্দীপকের মধ্যে মূল সম্পর্ক তৈরি করেছে।
ঘ. ‘কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন’- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: কল্যাণী ও সুভা দুজনেই মানসিক বা শারীরিকভাবে সাধারণ মানুষের থেকে কিছুটা আলাদা ছিলেন, তাই সমাজ তাদের ভিন্নভাবে দেখত। তবে তাদের চারপাশের পরিবেশ এবং জীবনের পরিণতি একরকম ছিল না। সুভা কথা বলতে পারত না, আর তার পরিবারের অনেকেই তাকে ঠিকভাবে বুঝত না বা তার অনুভূতিকে গুরুত্ব দিত না।
সুভার মা লজ্জা অনুভব করতেন এবং মেয়ের বিয়ে দেওয়ার চিন্তায় ছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত সুভাকে শহরে নিয়ে যেতে হয়। অন্যদিকে, কল্যাণীর বাবা পলাশ বাবু বুঝেছিলেন যে মেয়ের কিছু সমস্যা আছে, তাই তিনি আগেই বরপক্ষকে তা জানিয়েছিলেন। বরপক্ষও দায়িত্বশীলভাবে বলেছে, কল্যাণী আমার ছেলেও হতে পারত—এই কথায় তাদের ভালোবাসা ও মানবিক মনোভাব প্রকাশ পায়।
তাই কল্যাণীর ক্ষেত্রে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা দেখা যায়। আর সুভার ক্ষেত্রে, বোবা হওয়া তার অন্তরের লুকানো কষ্টের প্রতিফলন ছিল, যা কেউ ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। সুভা একা জীবন কাটিয়েছে, আর কল্যাণী পেয়েছে মানুষের সহানুভূতি। তাই বলা যায়, পরিস্থিতি একই হলেও তাদের ফলাফল এবং চারপাশের পরিস্থিতি আলাদা ছিল।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [ঢাকা বোর্ড ২০২৪]
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কাতারের আলবাইত স্টেডিয়ামে হয়। মঞ্চে আসে ২০ বছর বয়সী গানিম আল মুফতাহ, যিনি দুই হাতের সাহায্যে চলতে পারেন। তার সুন্দর কণ্ঠে কোরআন তেলওয়াত করা হয় এবং অনুষ্ঠান শুরু হয়। গানিম-এর জন্ম থেকেই দুটো পা ছিল না। শিশুকাল থেকে গানিমকে সমাজে অনেক বাধা ও অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে তার মা-বাবা সব সময় তার পাশে থেকেছেন এবং তাকে উৎসাহ দিয়েছেন। এজন্যই তিনি আজ বিশ্বের কাছে একজন মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে পরিচিত।
ক. বাঁখারি’ অর্থ কী?
খ. সুভার সমস্ত হৃদয় অশ্রুবাষ্পে ভরে গেল কেন? বুঝিয়ে লেখ।
গ. উদ্দীপকের গানিম ‘সুভা’ গল্পের সুভার সঙ্গে যে দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের গানিমের মতো প্রেরণা পেলে ‘সুভা’ গল্পের সুভার অবস্থারও পরিবর্তন হতো।- মন্তব্যটি বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৪]
একমাত্র সন্তান কাব্য বাকপ্রতিবন্ধী—এই খবর জানার পর মিসেস শরীফা একটুও ঘাবড়াননি; স্বামীকেও বুঝিয়েছিলেন। বাবা-মার যত্ন, ভালোবাসা আর আদর-পালনে কাব্য বড় হতে লাগল। একদিন মা লক্ষ্য করলেন, ছেলে নিজের মনে কাগজে আঁকাচিত্র করছে। তিনি বুঝলেন, মুখে কথা না থাকলেও একদিন তুলির আঁচড়ের মাধ্যমে সে বিশ্বজয় করবে। স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করে কাব্যের আঁকাআঁকির জন্য সব ব্যবস্থা করলেন। আজ কাব্যের আঁকা ছবি দেশে-বিদেশে প্রদর্শিত হচ্ছে এবং অনেক দামে বিক্রি হচ্ছে।
ক. বাবা-মা’র কোন আয়োজন দেখে সুভার হৃদয় অশ্রু-বাষ্পে ভরে উঠেছিল?
খ. “তুমি আমাকে যাইতে দিও না, মা।”- সুভার এই অভিব্যক্তি বুঝিয়ে লেখ।
গ. কাব্যে’র বাবা-মা’র সাথে ‘সুভা’ গল্পের বাবা-মা’র বৈসাদৃশ্য দেখাও।
ঘ. উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিচর্যা পেলে কাব্যে’র মতো সুভা সমাজের একজন হয়ে উঠতে পারত- যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [যশোর বোর্ড ২০২৪]
শৈশবে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে সাবিনা তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। বাবা-মা তাকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলে ভর্তি করান। পড়াশোনা শেষে সে আজ সেই স্কুলের শিক্ষক। এখন সাবিনা সমাজের বোঝা নয়, বরং একটি মূল্যবান সম্পদ।
ক. সুভা কীসের মতো শব্দহীন এবং সঙ্গীহীন?
খ. পিতা-মাতার মনে সুভা সর্বদাই জাগরুক ছিল কেন? বুঝিয়ে লেখ।
গ. উদ্দীপকের সাবিনার সাথে সুভার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ. সুভা’ গল্পের সুভার বাবা-মা যদি উদ্দীপকের সাবিনার বাবা-মায়ের মতো হতো তাহলে সুভাকে গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় যেতে হতো না।- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [সিলেট বোর্ড ২০২৪]
প্রতিবন্ধীরা সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাত্রায় এগোতে পারে না। তবে যদি তাদের ঠিক মতো মনোযোগ, সহযোগিতা এবং সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, তারা দুঃখের অন্ধকার ছেড়ে আলোয় ভরা জীবন পেতে পারে। এমনকি তারা বিশ্বের সেরা ও বিখ্যাত মানুষও হয়ে উঠতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মহাকবি হোমার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছিলেন। তাঁর সৃষ্টি ইলিয়াড এবং ওডিসি বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য রত্ন।
ক. সুভার গ্রামের নাম কী?
খ. সে ভাষাবিশিষ্ট জীব- কার সম্পর্কে এবং কোন প্রসঙ্গে একথা বলা হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের হোমারের সঙ্গে ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘উদ্দীপকের বিষয়বস্তু ‘সুভা’ গল্পের সমগ্র ভাব প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [ঢাকা বোর্ড ২০২৩]
জন্ম থেকেই সুলতানার ডান হাত এবং ডান পা ঠিকভাবে কাজ করে না। বেশিক্ষণ হাঁটতে পারে না। তার প্রায় সব কাজে কারো না কারো সাহায্য নিতে হয়। অন্যদের মতো স্বাভাবিক না হওয়ায় অনেকেই তার সঙ্গে মিশত না বা খেলায় অংশ নিতে দিত না। কিন্তু সুলতানা হার মানেনি। ডান হাতে শক্তি না থাকায় সে বাম হাতে লেখালেখি করতে শিখেছে। পড়াশোনা চালিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে এখন সে স্নাতক স্তরে ভর্তি হয়েছে।
ক. ‘অনিমেষ’ শব্দের অর্থ কী?
খ. কালো চোখকে কিছু তর্জমা করতে হয় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের সুলতানার সাথে ‘সুভা’ গল্পের সুভার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের সুলতানা চরিত্রের যে দিকটি সুভার মধ্যে অনুপস্থিত, সেটিই তার করুণ পরিণতির মূল কারণ- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
Read Also: বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ২০২৬
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [সিলেট বোর্ড ২০২৩]
রনি ছোটবেলায় টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যায়। ভাই-বোন, মা-বাবা এবং প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে সে স্বাভাবিক জীবন যাপনের চেষ্টা করে। স্কুলে ভর্তি হয়ে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তায় পড়াশোনা চালিয়ে যায়। গত এসএসসি পরীক্ষায় ‘এ’ প্লাস পেয়ে সে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।
ক. ‘সুভা’ গল্পে সুভার বাবার নাম কী?
খ. সুভার সমস্ত হৃদয় অশ্রুবাষ্পে ভরে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের রনির সাথে ‘সুভা’ গল্পের সুভার বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ. সুভা যদি রনির মতো অনুকূল পরিবেশ পেত তাহলে তার জীবন এমন বিষাদাক্রান্ত হয়ে উঠত না।- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩]
স্বপ্না একজন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। লেখাপড়ায় যেমন ভালো, খেলাধুলাতেও তেমনই দক্ষ। এজন্য সহপাঠীরা তাকে খুব ভালোবাসত। একদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে তার একটি হাত ও একটি পা হারাতে হয়। এতে স্বপ্না মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং সবার সামনে যেতে লজ্জা বোধ করে।
স্বপ্না এবং তার পরিবার মনে করেছিল যে তার পড়াশোনা শেষ। কিন্তু সহপাঠীরা তার সঙ্গে থেকে তাকে সাহস ও উৎসাহ দিলো, তাই স্বপ্না আবার পড়াশোনায় মন দিল। তারপর সে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে স্কুলের সুনাম বৃদ্ধি করেছে।
ক. সুভা জলকুমারী হলে কী করত?
খ. “আমি তোমার কাছে কী দোষ করেছিলাম?”- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের স্বপ্নার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার দিকটি ‘সুভা’ গল্পের সুভার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “সুভার প্রতি সমাজের মানসিকতা যদি উদ্দীপকের সহপাঠীদের মতো হতো তাহলে ‘সুভা’ গল্পের সুভার পরিবারকে
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩]
সদা হাসি মুখে থাকা ও সাহসী তাহমিদ ক্লাসে সবার প্রিয় ছিল। বিতর্ক, আবৃত্তি, গান, খেলাধুলা—সবকিছুতেই সে এগিয়ে থাকত। কিন্তু একদিন সড়ক দুর্ঘটনায় তাহমিদ একটি পা হারায়। এতে তার পরিবার খুব চিন্তিত হয়ে পড়ে। তবে তার বন্ধুরা পাশে থেকে তাকে সাহস দেয়। বন্ধুদের সাহায্য ও উৎসাহে তাহমিদ এসএসসি পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে।
ক. শুক্লাদ্বাদশী’ অর্থ কী?
খ. আমাকে সবাই ভুলিলে বাঁচি- সুভার এরূপ মনোভাবের কারণ কী?
গ. সুভা গল্পের সুভার সাথে উদ্দীপকের তাহমিদের সাদৃশ্য কোথায় বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের তাহমিদের বন্ধুদের মতো সহযোগিতা পেলে সুভা ও তার পরিবারকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হতো না -মন্তব্যটি ‘সুভা’ গল্প অবলম্বনে বিশ্লেষণ কর
Read More: বাংলা বিপরীত শব্দ MCQ: বিসিএস, এমসিকিউ প্রশ্ন ও উত্তর

